বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধানগড়া এলাকায় মেয়রের বাড়িতে হনুমানটিকে দেখার জন্য আশপাশের বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েরা ভিড় করে। তারাও পাউরুটি, বিস্কুট ও কলা এনে হনুমানটিকে খেতে দেয়। হনুমানটিও পছন্দমতো খাবার খেতে থাকে।
রায়গঞ্জ পৌর মেয়র আবদুল্লাহ আল পাঠান প্রথম আলোকে বলেন, দলছুট হনুমানটি বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁর বাড়ির আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সময় ও সুযোগ পেলে তাকে নানা ধরনের খাবার খেতে দেন তাঁরা। এখন নিয়ম করেই তাঁর বাড়িতে হনুমানটি আসছে বলে জানান তিনি।

দলছুট কালোমুখো হনুমানটি খাবারের জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

ধানগড়া এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক আকিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের বাড়িতেও কয়েক দিন আগে হনুমানটি এসেছিল। তাঁরা রুটি, বিস্কুট ও কলা খেতে দিয়েছিলেন। রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ধানগড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, হনুমানটিকে খাবার খেতে দিয়ে মেয়র ভালো কাজ করেছেন।

জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিত স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বাধীন জীবন’–এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, দলছুট কালোমুখো হনুমানটি খাবারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে এদের জীবন বিপন্ন হতে পারে। তবে এলাকার লোকজন তাকে বিরক্ত না করে খাবার দিলে ভালো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন