বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি গত ২২ ডিসেম্বর একটি সমাবেশ আহ্বান করে। সমাবেশটি করতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মাঠে ও শহরের চিলড্রেন পার্ক ব্যবহারের জন্য প্রশাসনের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। এরই মধ্যে জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি সর্বমহলে প্রচারিত হয়ে যায়। তাই বাধ্য হয়ে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা বিএনপি। বিষয়টি লিখিতভাবে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারকে জানানো হয়। কিন্তু পুলিশ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরির কাজে বাধা দেয় এবং গলির পূর্ব-পশ্চিম মুখে ব্যারিকেড দিতে শুরু করে।

২২ ডিসেম্বর সভাস্থলে বিএনপির নেতা-কর্মী জড়ো হতে চাইলে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গুলি শুরু করে। এতে বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আহত হন।

নির্ধারিত দিন সভাস্থলে বিএনপির নেতা-কর্মী জড়ো হতে চাইলে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গুলি শুরু করে। এতে বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আহত হন।

মামলার আবেদনের পর মামলা গ্রহণ করা হবে কি না, এ বিষয়ে আজ শুনানির দিন ধার্য করা ছিল। বিকেলে হবিগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুন উর রশিদ ২০৩ ধারায় এ আবেদন খারিজ করে দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন