বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশের গুলি ছোড়ার অভিযোগ এনে ৩০ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন বিএনপির নেতা শামছুল ইসলাম। এতে পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম মুরাদ আলী, সদর থানার ওসি মাসুক আলীসহ ৫৪ পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর উর রশীদ মামলার আবেদনটি খারিজ করে দেন।

প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২২ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভা মাঠে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি। কিন্তু প্রশাসন সে অনুমতি দেয়নি। পরে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে দুপুরে সমাবেশের স্থান নির্ধারণ করা হয়।

বিএনপির নেতাদের ভাষ্য, সমাবেশস্থলে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। সংঘর্ষের সময় ১৫ জন পুলিশসহ বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পুলিশ গ্রেপ্তার করে ২৬ জনকে।

এ ঘটনার পরদিন ২৩ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জি কে গউছকে প্রধান আসামি করে ৭০ জনের নামে এবং আরও দুই হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন