বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরের বহলা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন সফর চান। তাঁর পুত্রবধূ নাজমা চৌধুরীর সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ লেগেই থাকত। গতকাল রাতে শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ হয়। একপর্যায়ে নাজমা শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।

পরে আশপাশের লোকজন সফর চানকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে সফর চানের মৃত্যু হয়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুক আলী প্রথম আলোকে জানান, পারিবারিক বিরোধে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সদর হাসপাতালেই লাশের ময়নাতদন্ত হবে।

অন্যদিকে গতকাল রাতে জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় আশিষ বাউরীর লাশ উদ্ধার করা হয় লালচান চা–বাগান থেকে। পুলিশ ও কয়েকজন এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, লালচান চা–বাগানের বাসিন্দা ও চা–শ্রমিক নানকা বাউরীর তালাবদ্ধ ঘর থকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানা-পুলিশ গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় ঘটনাস্থলে যায়। দরজার তালা ভেঙে চেয়ারে বসা অবস্থায় আশিষ বাউরীর রক্তাক্ত লাশ মেলে।

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আশরাফ জানান, লাশের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন