বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আষেড়া গ্রামে পাঁচ পীরের মাজারে গতকাল দিবাগত রাতে বার্ষিক ওরস উৎসব শুরু হয়। বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা উৎসবে জড়ো হন। এদিকে পাশের ফান্দ্রাইল গ্রামে একটি মসজিদের নামকরণ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গতকাল রাত দেড়টার দিকে ওরস চলাকালে আফজাল চৌধুরীর সঙ্গে ফান্দ্রাইল গ্রামের এংরাজ মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের স্বজনেরা লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলে মারা যান আফজাল চৌধুরী। আহত হন ১৫-১৬ জন। গুরুতর আহত উজ্জ্বল মিয়া (৩৩), তিতু মিয়া (৫০) ও রিপন চৌধুরীকে (৩৫) এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য ১০ জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে আজ সোমবার সকালে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুক আলী আজ দুপুরে বলেন, এলাকার একটি মসজিদের নামকরণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। ওরস উৎসবে ঝগড়ায় জড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে লাশটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কেউ মামলা করেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন