default-image

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর রাজেদা খাতুন (৪০) নামের এক নারীর হাত বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলায় একদন্ত ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের হলুদখেত থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাজেদা খাতুন আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মৃত নান্নু মিয়ার স্ত্রী। প্রায় ছয় বছর আগে তাঁর স্বামী মারা গেছেন। এরপর থেকে তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই থাকতেন।

বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে রাজেদা খাতুন তাঁর দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ছেলেও কাজের জন্য বাইরে থাকেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। ওই রাতে হঠাৎ করে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। শুক্রবার সকালে গ্রামের লোকজন তাঁর বাড়ির পেছনের হলুদখেতে তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।  

রাজেদা খাতুন মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে একাই ছিলেন। ওই রাতে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। শুক্রবার সকালে গ্রামের লোকজন তাঁর বাড়ির পেছনের হলুদখেতে তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিক বলেন, রাজেদা খাতুনের দুই হাত ওড়না দিয়ে বাঁধা ছিল। তাঁর গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার রাতেই শ্বাসরোধ করে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তাঁর লাশ ফেলে রেখেছিল। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগও দেয়নি।

মন্তব্য পড়ুন 0