বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গউছ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশিম, যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সেলিম, সদস্য এম জি মোহিত ও মহিবুল ইসলাম, বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত জহিরুল হক শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, জেলা যুবদলের সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর টিপু আহমেদ, সাবেক কাউন্সিল মাহবুবুল হক হেলাল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম হাফিজুল ইসলাম, আবদুল আহাদ তুষার, সাইদুর রহমান ও গোলাম মাহবুব, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মুর্শেদ আলম সাজন, সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অলিউর অলি, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাজমুল হোসেনসহ ৪০ জন।

২৩ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র জিকে গউছকে প্রধান আসামি করে ৭০ জনের নামে এবং আরও ২ হাজার নেতা-কর্মীকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুয়ায়ী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবিতে গত ২২ ডিসেম্বর বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা সদরে সমাবেশের আয়োজন করে জেলা বিএনপি। এ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন খন্দকার মোশারফ হোসেন। বিএনপি হবিগঞ্জ পৌরসভার মাঠে এ সমাবেশের জন্য অনুমোদন চায়। কিন্তু প্রশাসন অনুমোদন দেয়নি। পরে বিএনপি শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বেলা দুইটায় এ সমাবেশের স্থান নির্ধারণ করে। সমাবেশের স্থলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা আসতে চাইলে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে ওই দিন বেলা আড়াইটায় পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। সংঘর্ষকালে ১৫ জন পুলিশসহ বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পুলিশ ২৬ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। পণ্ড হয়ে যায় এ সমাবেশ।

এ ঘটনার পরদিন ২৩ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র জিকে গউছকে প্রধান আসামি করে ৭০ জনের নামে এবং আরও ২ হাজার নেতা-কর্মীকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম মামলা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন