বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, হাওরে উৎপাদিত বোরো ফসল দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় বিরাট ভূমিকা রাখে। বিশাল জনগোষ্ঠী এই হাওরের সঙ্গে যুক্ত। সুনামগঞ্জে কিছু হাওরের ফসল নষ্ট হয়েছে। অন্য হাওরে ফসলের ঝুঁকি আছে। পানি আবার বাড়ছে। আমরা চেষ্টা করছি কৃষকের মুখে যেন হাসি থাকে, মলিন যেন না হয়। এ জন্য আগামী ১৫ দিন সবাইকে সেই চেষ্টা করতে হবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শেখ হাসিনা কৃষকদরদি নেত্রী। সরকার গত বছর কৃষিতে সার কেনায় আট হাজার কোটি টাকা ভুর্তকি দিয়েছে। এ বছর সেটা হবে ৩০ হাজার কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, কৃষক আগে। তারপর অন্য কিছু।

হাওরের ধান তলিয়ে গেলে দেশে চালের দাম পারতে পারে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে খাদ্যঘাটতি নেই, সংকট নেই, হাহাকার নেই। সুতরাং হাওরের কৃষকেরা না খেয়ে থাকবেন না। যেসব কৃষকের বোরো ধান তলিয়ে গেছে, তাঁদের খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, হাওরের ধান তোলা নিয়ে আমি সব সময় আতঙ্কে থাকি, কখন কী হয়! কারণ, প্রকৃতির ওপর আমাদের হাত নেই। হাওরের পুরো ধান যদি নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে চালের দাম বাড়বে। তখন কেউ বলবে না, হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। শুধু বলবে চালের দাম বেড়েছে। তখন দেশের বিরোধী দলসহ সবাই খাদ্যমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাব চাইবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ মুহিবুর রহমান, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ পীর ফজলুর রহমান, সাংসদ ও কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম, সুনামগঞ্জ ও সিলেট সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ শামীমা আক্তার খানম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজির আলম, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন