বিজ্ঞাপন

এর আগে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিঠামইন হাওরের অলওয়েদার সড়কে মিঠামইন ঢাকী সেতুর অদূরে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে রফিকুলদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে রফিকুলের বন্ধু সদরের রাজকুন্তী নানার বাড়িতে বেড়াতে আসা করিমগঞ্জের জয়কার বাসিন্দা আবদুল কাইয়ুমের ছেলে মোবারক শনন (১৭) ঘটনাস্থলে মারা যান।

একই মোটরসাইকেলের আরোহী বাকি দুই বন্ধু রফিকুল ও আনিসুর রনিকে (২৪) গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে পুলিশের গাড়ি দিয়ে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে শহরতলির শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রফিকুল মারা যান।

আনিসুর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন মোন্তাসির নামে তাঁর এক স্বজন। আনিসুর রনি করিমগঞ্জের জাফরাবাদ ইউনিয়নের রাজকুন্তী গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে।

এর আগে গত শনিবার বিকেলে জেলায় হাওরে গোসলে নেমে এক যুবক মারা গেছেন।
পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, ঈদের দিন থেকেই অসংখ্য মানুষ হাওরে ঘুরতে ও নির্মল বাতাস উপভোগ করতে আসে। তবে এক দিনের ব্যবধানে দুটি দুর্ঘটনা খুবই দুঃখজনক। সে জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা আগে চিন্তা করতে হবে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কয়েকটি পদক্ষেপের কথা বলেছেন পুলিশ সুপার।

মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, হাওরে আগে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় তেমন কড়াকড়ি ছিল না। এবার থেকে কড়াকড়ি করা হবে। উপযুক্ত কারণ ছাড়া হাওর এলাকায় কোনো গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা এড়াতে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব কার্যক্রম আজ সোমবার থেকেই বাস্তবায়ন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন