বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে করোনা মহামারির শুরুতে মেয়র পৌর শহরে ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’ কর্মসূচি চালু করেছিলেন। তাঁর এ কর্মসূচিতেও সাড়া দিয়েছেন পৌরবাসী। মেয়র ও পৌর শহরের বাসিন্দারা মনে করছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কারণে ভারতীয় সীমান্ত–ঘেঁষা এবং স্থলবন্দর এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এ উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার কম। তাঁদের মধ্যে পৌরসভার ৩৩ জন কর্মচারীকে টিকা দেওয়া নিশ্চিত করা হয়েছে। দুজন মাতৃত্বের কারণে টিকা নেননি।

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দিনাজপুর জেলায় আজ সোমবার পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৫১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৩৯৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৬৩ জন। তাঁদের মধ্যে হাকিমপুর উপজেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩০৪ জনের আর মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা তৌহিদ আল হাসান জানান, গণটিকা কার্যক্রমের আওতায় গত শনিবার ২ হাজার ৪০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এর আগে আরও ৩ হাজার ৮০০ জন টিকা গ্রহণ করেছেন, যাঁদের অধিকাংশই পৌর এলাকার বাসিন্দা। টিকা কার্যক্রম চলমান।

হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গত বছর ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’ কর্মসূচি চালু করে তাঁরা সফল হয়েছেন। অন্যান্য উপজেলার চাইতে হাকিমপুরে করোনা সংক্রমণের হার অনেক কম। তারই ধারাবাহিকতায় টিকার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে এবং প্রত্যেকের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে এই ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পৌরসভার কর্মকর্তা–কর্মচারীদের টিকার বিষয়টি আগে নিশ্চিত করা হয়েছে। পৌর এলাকায় প্রায় ২৮ হাজার মানুষের বসবাস। হাকিমপুর উপজেলায় প্রথম শতভাগ টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে জেলা সিভিল সার্জনসহ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন