এ দিকে নিমগাছী হাটের সড়কের কড়িতলা এলাকায় গতকাল শুক্রবার ইটের খোয়া ফেলেছে হাটের ইজারাদারেরা।

সম্প্রতি দুপুরে সরেজমিনে কথা হয় সড়কে যাতায়াতকারী, হাটের ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক বলেন, সোনাখাড়া ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় হাট নিমগাছি হাট। পাশের ধামাইনগর ইউনিয়নের শালিয়াগাড়ি বাজার থেকে নিমগাছি হাট পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার চলাচল অযোগ্য। খানাখন্দে ভরা সড়কের এ অংশ মেরামত করার জন্য দুই মাস আগে ঠিকাদার কাজ শুরু করেন। কিন্তু সড়কের কড়িতলা থেকে খায়েরের চাতাল পর্যন্ত প্রায় হাঁটু পর্যন্ত খুঁড়ে রেখে চলে গেছেন ঠিকাদার।

সোনাখাড়া ইউপি সাবেক সদস্য সুশীল কুমার মাহাতো বলেন, এটুকু সড়ক পার হতে মানুষকে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনায় পড়তে হয়।

স্থানীয় কলেজশিক্ষক যোগেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, এ সড়কে চলাচল করাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

সোনাখাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সড়কের ভাঙা অংশে কিছু খোয়া ও বালু ফেলা হচ্ছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিরাজগঞ্জের আর কে এন্টারপ্রাইজের মালিক রাসেদুল ইসলাম বলেন, মাস দুই আগে কাজটি শুরু করা হয়। এর মধ্যে ২৫০ মিটার রয়েছে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ। কাজটি শুরু করার পরপরই রড, সিমেন্ট, পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যায়। এ বিষয়ে দপ্তরের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

কাজটির তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ খান বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি তারা কাজ শুরু করবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন