বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে আবদুল আলিম দর্জিকে পরাজিত করে ইকবাল দর্জি বিজয়ী হন। নির্বাচনের পর এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে গত ৫ মার্চ রাত ৮টার দিকে উপজেলার ঝিকরহাটি এলাকায় আবদুল আলিম দর্জির সমর্থকেরা বিজয়ী ইকবাল দর্জির সমর্থকদের ওপর হামলা করে। পরে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ইদ্রিস দর্জির ছেলে কাওসার দর্জি (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় ওই দিনই নিহত কাওসারের চাচা মোস্তফা দর্জি বাদী হয়ে সদর থানায় ৩৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, ওই হত্যা মামলায় উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ আদালতে হাজিরা দিতে আসেন ১৮ আসামি। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমাইল হোসেন আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ নিয়ে বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষে জড়ায় উভয় পক্ষ। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণ আনে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আল শাহরিয়ার শাকিল প্রথম আলোকে বলেন, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁরা সবাই কিল-ঘুষিতে আহত হয়েছেন। সবাই শঙ্কামুক্ত।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক রমেশ চন্দ্র দাস প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। মূলত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করায় হট্টগোল শুরু হয়। পরে বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন