বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও সোনারগাঁ পৌর এলাকায় দুই হাজারের অধিক গরু মোটাতাজাকরণের খামার রয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় অনেক কৃষক ২ থেকে শুরু করে ১০টি পর্যন্ত গরু ও ছাগল পালন করছেন। এসব কৃষকের বাড়ি ও খামার থেকে কয়েক দিন ধরে মানুষ পশু কিনছেন।

বৃহস্পতিবার উপজেলার সনমান্দি, জামপুর, নোয়াগাঁও, বারদী, সাদিপুর, কাঁচপুর, শম্ভুপুরা, মোগরাপাড়া, পিরোজপুর, সোনারগাঁ পৌরসভা ও বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, কৃষকদের বাড়ি ও পশুর খামারে মানুষ পশু কিনতে ভিড় করছেন। ক্রেতারা খামারগুলো থেকে পশু কিনে ঈদের আগের দিন, আবার অনেকে ঈদের দিন খামার থেকে ক্রয় করা পশুগুলো নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যাবেন বলে খামারিদের জানিয়েছেন। সামনের কয়েক দিন খামারিরা তাঁদের নিজস্ব খরচে পশু পালন করবেন।

সনমান্দি ইউনিয়নের হরিহরদী এলাকার মিলিনিয়াম অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক হাসেম রতন জানান, এ বছর করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় মানুষ গ্রামের কৃষক ও খামারিদের কাছ থেকে পশু কিনছেন। স্থানীয় পশুর হাটগুলোতে কোনো ভিড় নেই। অধিকাংশ খামারের গরু ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

সনমান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমার মতো গ্রামের অধিকাংশ মানুষ পশুর হাটে না গিয়ে গ্রামের খামার থেকে পশু কিনেছেন।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার কারণে মানুষকে পশুর হাটে অযথা ভিড় জমাতে নিরুৎসাহী করা হয়েছিল। মানুষ প্রশাসনের ডাকে সারা দিয়ে গ্রামের খামার থেকে পশু কিনেছেন। এটি আমাদের উপজেলার জন্য ভালো খবর। ঈদ সামনে রেখে সবাই এভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করলে করোনার প্রাদুর্ভাব কমে যাবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন