বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাতিগুলো দেখে মোটরসাইকেল আরোহীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে দ্রুত তাঁরা মোটরসাইকেল ফেলে পেছনের দিকে দৌড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় এক মাহুত (হাতি দেখাশোনাকারী ব্যক্তি) ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি হাতিদের তাড়ানোর খবর নিশ্চিত করলে মোটরসাইকেল আরোহীরা আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে সড়ক অতিক্রম করে গন্তব্যে চলে যান। কুলাউড়ার রেহেনা চা-বাগানের সীমানা থেকে সাগরনাল চা-বাগানের সীমানা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে হাড়ারগজ সংরক্ষিত বন অবস্থিত। এই বনেই হাতিগুলোর বসবাস।

ওই মোটরসাইকেল আরোহীদের একজন হলেন সানি পাণ্ডে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কারও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পোষা হাতিদের মাহুত আশপাশের কোনো এলাকায় হয়তো ছিলেন। তিনি দ্রুত না এলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারত।
বন বিভাগের জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী বন সংরক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও কুলাউড়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা ফরেস্টার রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, তাঁরা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণত শীতের শুরুতে বা শীতে পুরুষ হাতিদের জৈবিক তাড়না দেখা দেয়। এ সময় এরা অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। মাসখানেক এ অবস্থা থাকে। তবে স্ত্রী হাতির সংস্পর্শে এলে এ অবস্থা আরও আগে কেটে যেতে পারে। গাজীপুর-সাগরনাল সড়ক দিয়ে পথচারীদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করা দরকার। সড়কের দুই প্রান্তে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা যায় কি না, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন