বিজ্ঞাপন

দুজনই নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শহীদ শামসুজ্জোহা ডিগ্রি কলেজে ইসলামের ইতিহাসের (সম্মান) শিক্ষার্থী। কলেজে পড়ার সময়ই তাঁদের মধ্যে প্রণয় গড়ে ওঠে। তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি দুই পরিবারের লোকজন জানার পরে বিয়ে ঠিক হয়। গেল রোজার প্রথম দিকে দুই পরিবারের অভিভাবকেরা কয়েক দফা বৈঠকের পর বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করেন ঈদের দুদিন পর রোববার।

ছেলের ইচ্ছা পূরণে বাবা আবদুল জব্বার ৩০ হাজার টাকায় এক দিনের জন্য একটি হাতি ভাড়া করে নিয়ে আসেন। বিয়ের দিন সকালেই বরের বাড়িতে চলে আসে সেই হাতি।

প্রণয় থেকে হলো পরিণয়। বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে সাগর হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে আসবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। ছেলের ইচ্ছা পূরণে বাবা আবদুল জব্বার ৩০ হাজার টাকায় এক দিনের জন্য একটি হাতি ভাড়া করে নিয়ে আসেন। বিয়ের দিন সকালেই বরের বাড়িতে চলে আসে সেই হাতি। তারপর চলে হাতিকে গোসল করানো ও আকর্ষণীয় করে সাজানোর কাজ।

দুপুরে হাতির পিঠে চড়ে বর সাগর মণ্ডল বরযাত্রীদের গাড়িবহরের সঙ্গে বিকেল নাগাদ মাকড়শোন গ্রামে কনের বাড়িতে আসেন। হাতির পিঠে চড়ে বর আসার খবরে কনের বাড়িতে নিজ গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের উৎসুক শিশু, নারী ও লোকজন ভিড় জমান। এ সময় দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে কনের বাড়ির লোকজনকে হিমশিম খেতে হয়। পরে দুই লাখ এক টাকা কাবিনমূলে বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়।

বর সাগর মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রেমকে অমর করতে কতজনই তো কত কী করেন। সম্রাট শাহজাহান প্রিয়তমা স্ত্রী মমতাজের জন্য তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন। আমার প্রিয়তমা তানজিলার সঙ্গে আমার বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এটা ক্ষুদ্র একটা প্রয়াসমাত্র।’

বরযাত্রী আবুল হোসেন ও কনের বাড়ির ছারোয়ার হোসেন বলেন, এ অঞ্চলে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করার ঘটনা এর আগে ঘটেনি। তাই বিষয়টি আনন্দ ও উপভোগের ছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন