বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: কী আইনে, কোন ধারায় এ মামলা করা হয়েছে? এর জন্য আইনে শাস্তির কী বিধান রয়েছে?

সুমন কুমার সরকার: ২০১২ সালের বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের ৩৬ (১) ধারায় শেরপুরের বন আদালতে মামলা হয়েছে। এ আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স গ্রহণ না করে কোনো বাঘ বা হাতি হত্যা করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন। এ অপরাধ জামিন অযোগ্য। তিনি সর্বনিম্ন ২ থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে বাঘ বা হাতির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হলে এবং এর ফলে জীবনাশঙ্কার সৃষ্টি হলে জীবন রক্ষার্থে আক্রমণকারী বাঘ বা হাতিকে হত্যার ক্ষেত্রে এ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না।

প্রথম আলো: গারো পাহাড়ে হাতির হত্যা রোধে মামলা ছাড়া আপনাদের পক্ষ থেকে আর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে?

সুমন কুমার সরকার: প্রায় প্রতিবছরই শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় হাতির আক্রমণে জানমালের ক্ষতি বা হাতি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। মূলত হাতির আবাসস্থল পাহাড়ি এলাকায় জনবসতি গড়ে তোলায় এমনটি হচ্ছে। আমরা মনে করি, বন বিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় যাঁরা বসতি গড়ে তুলেছেন, জানমাল রক্ষার স্বার্থে তাঁদের সেখান থেকে সরে আসা উচিত। পাশাপাশি আমরাও হাতিসহ সব বন্য প্রাণী রক্ষায় মানুষকে সচেতন করে তোলার কাজ করছি। এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমগুলোকে আরও সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষ ও এলাকাবাসীকে নিয়ে আমরা সভা-সমাবেশ করছি। আশা করি, সবার সহযোগিতায় একসময় হাতি-মানুষের দ্বন্দ্বের অবসান হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন