বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, গতকাল দিনের তুলনায় রাতে জোয়ারের তীব্রতা কিছুটা কম ছিল। সে কারণে বেড়িবাঁধটি সকাল নাগাদ রক্ষা পেয়েছে। সকালে ভাটায় পানি নেমে যাওয়ায় বাঁধের ক্ষতির চিহ্ন ভেসে ওঠে। আজ ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ও পূর্ণিমার প্রভাবে ব্যাপক জোয়ার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাঁধটি সংস্কার করা না হলে বাঁধটি ভেঙে ওই এলাকা পুরোটা প্লাবিত হতে পারে।

পার্শ্ববর্তী চর আমানউল্যাহ গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন আজ সকাল সাতটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, বাঁধটি নির্মাণের সময় যেখান থেকে মাটি কাটা হয়েছে, তার পাশেই বেড়িবাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এতে জোয়ারের সময় খুবই সহজে পানির চাপ বেড়িবাঁধের ওপর পড়ে। এতে বাঁধটির এক পাশের প্রায় ৩০-৪০ ফুট ভেঙে পড়েছে, যা পরবর্তী জোয়ারের তোড়ে পুরোপুরি ভেঙে যেতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তুফানিয়া গ্রামের ওই বেড়িবাঁধ স্থানীয়ভাবে যতটুকু পারা যায়, মেরামত করতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের পর পুরো বাঁধ মেরামতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে উপজেলা প্রশাসন থেকে এখন লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাছির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, তুফানিয়া গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধের কিছু অংশ গতকাল পাউবোর ও ঠিকাদারের লোকজন মেরামত করেছেন। তবে বেড়িবাঁধটি স্থানীয় বাধার কারণে পাউবোর পরিকল্পনা মোতাবেক নির্মাণ করা যায়নি। এতে বেড়িবাঁধটি এমনিতেই অনেকটা নদীর কিনারে নির্মাণ করা হয়েছে। এখন যেসব অংশে সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা ঠিকাদারকে মেরামত করে দিতে বলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন