বিজ্ঞাপন

চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দুর্যোগকবলিত লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা শুরু করেছেন। দুপুর ১২টা নাগাদ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৬০০ নারী, শিশু ও বিভিন্ন বয়সের মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
নিঝুম দ্বীপ ইউপির চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিন বলেন, নিঝুম দ্বীপে কোনো বেড়িবাঁধ নেই। তাই জোয়ারের পানি অতি সহজে দ্বীপের বিভিন্ন অংশে ঢুকে পড়েছে। আজ দুপুরের দিকে শুরু হওয়া জোয়ারের পানিতে দ্বীপের বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দ্বীপের আটটি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকজন দিনের বেলা সেখানে যেতে চাচ্ছেন না। বেশির ভাগ মানুষ দ্বীপের বিভিন্ন বাজারে, উঁচু রাস্তায় অবস্থায় অবস্থান নিয়েছে।

মেহরাজ উদ্দিন আরও বলেন, জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য তিন হাজার প্যাকেট ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে আড়াই কেজি চাল, ৫০০ গ্রাম চিড়া ও মুড়ি ৫০০ গ্রাম। বাজারে ও সড়কে অবস্থানকারী মানুষের মধ্যে এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উপজেলার নিঝুম দ্বীপ, সোনাদিয়া, তমরুদ্দি, হরণী, চানন্দিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ উপচে পানি ঢুকে পড়েছে। এসব এলাকার লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসতে স্থানীয় ইউপির চেয়ারম্যান ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পিপিসির সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ইতিমধ্যে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা শুরু করেছেন। তবে ঠিক কতজনকে দুপুর পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে, সে তথ্য পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন