সোহেল রানার অভিযোগ, এরপর তিনি বাবাকে জরুরি বিভাগে রেখে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় আন্তবিভাগে যান নার্সদের খোঁজে। সেখানেও কোনো নার্স বা ওয়ার্ডবয়কে পাননি। এভাবে উপর-নিচে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যান, কিন্তু কোথাও কোনো চিকিৎসক, নার্স কিংবা অন্য কারও দেখা পাননি। এ পরিস্থিতিতে তাঁর বাবা সকাল আটটার দিকে ছটফট করতে করতে তাঁর কোলেই মারা যান।

সোহেল রানা আরও বলেন, তাঁর বাবার আগে তেমন কোনো শরীরিক অসুস্থতা ছিল না। হঠাৎই অসুস্থ হয়েছেন। মারা যাওয়ার কয়েক মিনিট পর একজন চিকিৎসক জরুরি বিভাগে আসেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সময়মতো হাসপাতালে আনার পরও চিকিৎসা না পাওয়ায় বাবাকে বাঁচানো যায়নি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাতের শিফটে জরুরি বিভাগে দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক দিপ্ত কুরি, উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা (স্যাকমো) ইফতেখার সোহেল ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী আশরাফ আলী। রাতের শিফটের দায়িত্বের সময়সূচি অনুযায়ী তাঁদের রাত আটটা থেকে পরদিন সকাল আটটা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু আজ সকাল পৌনে ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত তাঁরা কেউই কর্মস্থলে ছিলেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন