বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে আজ বেলা একটার দিকে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের দইখাওয়া মোড় এলাকার নির্বাচনী কার্যালয়ে নৌকা প্রার্থীর কর্মীদের ওপর জামায়াত–শিবিরের হামলার প্রতিবাদ ও জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেলিম হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম হোসেন বলেন, জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান ও শিবিরের ক্যাডাররা নৌকার কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। এতে নয়জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দুজনের হাত ভেঙে গেছে। এর মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর পাঠানো হয়েছে। এরপরও নৌকার কর্মী–সমর্থকেরা কিছু করেননি। কিন্তু আজ সকালে শিবিরের ক্যাডাররা হাসপাতালে ঢুকে তাঁর আহত কর্মী–সমর্থকদের ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে সেলিম হোসেনের ভাই লুলুকে শিবিরের ক্যাডাররা কুপিয়ে জখম করেছেন। এ সময় হট্টগোল শুনে স্থানীয় লোকজন শিবিরের চার ক্যাডারকে আটক করে পুলিশে দেন বলে তিনি দাবি করেন। বহিরাগত শিবিরের ক্যাডার দিয়ে জামায়ত নেতা হাবিবুর রহমান নির্বাচন করছেন। হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

default-image

এদিকে হাবিবুর রহমানের সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে সেলিম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতা হাবিবুর ও শিবিরের ক্যাডাররা মারধরের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাদের কোনো মারধর করিনি। তারাই আমার লোকজনকে মারধর করেছে। আমি সঠিক বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করায় তারা সত্য ধামাচাপা দিতে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে।’

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদুল আলম জানান, হামলার ঘটনার পর আজ সকালে চার ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় জানায়নি পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন