বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেলিম হোসেন ও তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, গতকাল রাতে গেন্দুকুড়ি গ্রামে সেলিম হোসেনের কর্মী-সমর্থকেরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা করছিলেন। এ সময় হাবিবুর রহমানসহ তাঁর লোকজন নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা দেন। এতে উভয়ের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে হাবিবুর রহমান ও তাঁর লোকজন সেলিম হোসেনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালান। সেলিম হোসেনের ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় আহত মজিবুর রহমান বলেন, হাবিবুর রহমান ও তাঁর লোকজন তাঁদের মারধর করেছেন। মারধরের কারণে তাঁর হাত ভেঙে গেছে।

আহত আরেক ব্যক্তি দবিয়ার রহমান বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ও তার লোকজন স্লোগান দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করার কারণে আমি আর কিছু বলতে পারি না। চোখ খুলে দেখি আমি হাসপাতালে।’

সেলিম হোসেন বলেন, জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমানের লোকজন তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা করেছেন। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা এখন হাসপাতালে আছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাদের (সেলিম হোসেনের কর্মী-সমর্থক) মারধর করিনি। তারাই আমাদের লোকজনদের মারধর করেছে।’
জানতে চাইলে হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশৃঙ্খলার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চতুর্থ ধাপে অগামী ২৬ ডিসেম্বর এ ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন