বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর ধরে ব্যবসায়ী আবদার রহমানের হোটেলে কাজ করছেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী। সংসারজীবনে আবদার রহমানের কোনো সন্তান নেই। সেই সুবাদে আবদার রহমান প্রায়ই ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাবসহ সন্তান নেওয়ার কথা বলেন। এতে ওই নারী রাজি হননি। এমন অবস্থায় চলতি বছরের ১৫ মার্চ রাতে আবদার তাঁর দোকানে ওই নারীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ে করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি কাউকে না জানানোর কথা বলেন আবদার। এরপর প্রায়ই ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন আবদার রহমান। এতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী আবদারকে বিয়ের কথা বললে তিনি বিয়ে না করে সন্তানটি নষ্ট করার জন্য চাপ দেন। ফলে কোনো উপায়ান্ত না পেয়ে ওই নারী থানায় অভিযোগ করেন।

ওই নারী দাবি করে বলেন, ‘আমার পেটে আবদারের চার মাসের সন্তান। আমি অন্তঃসত্ত্বা হলেও আবদার বিয়ে করবেন বলে আমাকে ধর্ষণ করেন। কিন্তু এখন আবদার আমাকে বিয়ে না করে সন্তান নষ্ট করতে বলতেছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি, এটার যেন সঠিক বিচার পাই। আমি আমার সন্তানের পরিচয় চাই।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবদার রহমান বলেন, ‘সে আমার দোকানে শ্রমিক। তার সঙ্গে আমার আবার কিসের সম্পর্ক। আর যে বাচ্চার কথা বলতেছে, সে ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।’

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, ওই নারীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন