বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুপুর সাড়ে ১২টায় মানববন্ধন শুরু হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বরিশাল নগরের রূপাতলী হাউজিং এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেসে হামলা করেন বাসমালিক ও শ্রমিকেরা। এক বছর পার হলেও সেই ঘটনায় করা মামলার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। মামলার আসামিরা দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত অনেকের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন অনেকের গভীর আঁতাত রয়েছে। ওই হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খরচ ও যাঁদের মুঠোফোন-মানিব্যাগ খোয়া গিয়েছিল, তার ক্ষতিপূরণও দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

একই সঙ্গে গতকাল বুধবার রাতে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীর।

মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তব্য দেন মৃত্তিকা ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান, আনিকা ইসলাম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের ইরাজ আহমেদ প্রমুখ। তাঁরা বলেন, হামলার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার এবং আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় ও অন্যান্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক বছরেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি বরং হামলাকারীরা বহাল তবিয়তে ঘুরছেন।

এ সময় এক ছাত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রীকে দলবদ্ধ যেভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, সেটা এই বিচারহীনতার প্রতিফলন। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী যদি এ রকম ন্যক্করজনক ঘটনার শিকার হন, তাহলে এ দেশে নারীদের নিরাপত্তা কোথায়?

গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনায় আহত ১১ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধসহ নানা আন্দোলনের কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে নগরের কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন