বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাকিলের বাবা শাহজালাল মিয়া বলেন, গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে শাকিল মিয়া উপজেলার জিংলাতলী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক মিয়াজীর সমর্থক ছিলেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলমগীর হোসেন মোল্লা বিজয়ী হন। নির্বাচনের পর ১ ডিসেম্বর সকালে শাকিল মিয়া চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হন। গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পৌঁছালে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা একই গ্রামের বাসিন্দা বিজয়ী চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মোল্লার কয়েকজন সমর্থক রড দিয়ে পিটিয়ে শাকিল মিয়ার দুই পা থেঁতলে দেয়।

আহত শাকিল মিয়াকে প্রথমে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ২ ডিসেম্বর সেখানে অস্ত্রোপচার করা হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাকিল মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভেবেছিলাম হামলার পর আর বাঁচব না। কিন্তু মা-বাবার দোয়ায় আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তাই আজ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছি।’

আহত শাকিলের মা তাজবাহার বেগম বলেন, ‘আমার নিরপরাধ ছেলেকে যারা দিনদুপুরে হামলা করে রড দিয়ে পিটিয়ে দুই পা থেঁতলে দিয়েছে, আল্লাহ যেন তাদের বিচার করেন।’

ড. মোশাররফ ফাউন্ডেশন কলেজের অধ্যক্ষ আবদুর রহমান বলেন, পরীক্ষার্থী শাকিলের পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড শাকিলকে অ্যাম্বুলেন্সে বসেই পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। শাকিলের পরীক্ষা মোটামুটি ভালো হয়েছে। শিক্ষার্থীর ওপর এভাবে হামলা চালিয়ে দুই পা থেঁতলে দেওয়ার বিষয়টি মেনে নেওয়ার মতো নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন