default-image

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমেদ ওরফে আকাশসহ আটজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত আটটার দিকে উপজেলা সদরের ঘোষপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একই পাড়ার মো. আবদুল হাই ও বিএনপি নেতা মো. সেলিম রেজার নেতৃত্বে ছাত্রদলের ৮-১০ জন নেতা–কর্মী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামিমের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ছাত্রলীগ নেতা–কর্মীরা তাঁকে রক্ষা করতে গেলে তাঁদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে শামিম আহমেদ, ছাত্রলীগ নেতা সৌরভ, রাসেল, সালমান, আকাশ, সাগর, শুভ ও তাড়াশ রির্পোটার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি এম মামুন হুসাইন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হলে শামিমসহ ৪ জনকে ২৫০ শয্যার সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে আহত শামিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় শামিমের বড় ভাই সোহেল রানা বাদী হয়ে রাতেই আবদুল হাই, সেলিম রেজাসহ সাতজনকে আসামি করে তাড়াশ থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আবদুল হাই, আলভি ও পলাশকে গ্রেপ্তার করে।

তাড়াশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুস সালাম আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার আবদুল হাইকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য দুজন পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন।

এদিকে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ দুপুরে তাড়াশ প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়। এতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকবাল হাসান সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন