বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া মাদক রাখার অপরাধে নিহত ব্যক্তি তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন থানার অপর এসআই রিয়াজুল ইসলাম। আর তাজুলের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেন তাঁর ছোট ভাই মর্তুজা রহমান।

অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে পুলিশের করা মামলায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনার পাঁচ দিন পরও এ মামলা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার উদ্বেগ আছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হারাগাছের এক বাসিন্দা বলেন, ওই দিনের রাতের ঘটনার অনেক ভিডিও রয়েছে পুলিশের কাছে। ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়েছে কিছু ভিডিও। এসব দেখে হয়তো তালিকা হতে পারে। সে তালিকা অনুযায়ী গ্রেপ্তার কিংবা আটক করা হতে পারে বলে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তাজুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার হারাগাছ নয়াটারী দালালহাট গ্রামে। তাঁর মৃত্যু নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১ নভেম্বর সন্ধ্যার পর হারাগাছের নতুন বাজার বছিবানিয়ার তেপতি এলাকা থেকে তাজুল ইসলামকে মাদকসহ আটক করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশের নির্যাতনে তাজুলের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার হতে থাকে। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে রাতে হারাগাছ থানা ঘেরাও করে ভাঙচুর করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন