হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ শাহিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, হাটহাজারীর উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের মাছুয়াঘোনা ও আমতুয়া, নাপিতের ঘাট এবং আজিমের ঘাট এলাকায় সংগ্রহকারীদের কেউ কেউ ১০ থেকে ২০টি করে ডিম পেয়েছেন বলে তাঁকে জানিয়েছেন।

এ মাসের শুরু থেকে পূর্ণ প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় নদীতে অপেক্ষায় ছিলেন ডিম সংগ্রহকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা আশা করছেন, বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টি হলে জোয়ার কিংবা ভাটার সময় নদীতে মা মাছ নমুনা ডিম ছাড়া শুরু করতে পারে। কারণ, এখন নদীতে মা মাছের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

গত কয়েক দিন সরেজমিনে দেখা গেছে, দুই উপজেলার চারটি সরকারি হ্যাচারি ও শতাধিক মাটির কুয়ায় রেণু পোনা ফোটানোর জন্য নানা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন প্রশাসন ও সংগ্রহকারীরা।

default-image

চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলী প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে নদীর একাধিক স্থানে কিছু ডিম পাওয়া গেছে। এখন নদীর মা মাছের পেটে ডিমে ভরপুর। বিচরণের সময় কয়েকটা ডিম এমনিতেই বেরিয়ে আসে, এটা টানা কয়েক দিন হয়।

গতকাল পাওয়া এগুলো বিচ্ছিন্ন স্বল্প ডিম বলে জানিয়েছেন ডিম সংগ্রহকারী মুহাম্মদ শফি ও কামাল সওদাগর। তাঁরা প্রথম আলোকে বলেন, আজিমেরঘাট, মাছুয়াঘোনা, নাপিতের ঘাট, আমতুয়া এলাকাসহ একাধিক স্থানে ৫ থেকে ১০টি করে ডিম পাওয়া গেছে। এগুলো নমুনা ডিম নয়। নমুনা ডিম হবে তখন, যখন একের পর এক ডিম অল্প অল্প করে ছাড়া শুরু হবে।

হালদা গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে যে সামান্য ডিম পাওয়া গেছে, সেগুলো নমুনা ডিম নয়। জোয়ারের সময় সামনে বজ্রসহ বৃষ্টি হলে নমুনা ডিম ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন