বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হালুয়াঘাটে দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে ধুরাইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওয়ারেছ সুমন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও এম এ বাতেন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে পূর্বধুরাইল গ্রামে জমির সীমানা নিয়ে ওয়ারেছ সুমনের সমর্থক মফিজুল ইসলামের সঙ্গে শফিকুল ইসলামের সমর্থক জুয়েল মিয়ার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মফিজুল ইসলাম মারধরের শিকার হন। কিছুক্ষণের মধ্যে নৌকার সমর্থকদের কাছে এ খবর পৌঁছে যায়। এতে ওয়ারেছ সুমনের সমর্থকেরা ক্ষিপ্ত হয়ে শফিকুল ইসলামের তিন সমর্থকের বাড়ি, শিমুতলী বাজারের একটি দোকান ও তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান।

এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় শফিকুল ইসলামের সমর্থকেরা ধুরাইল বাজারে ওয়ারেছ সুমনের প্রচার মাইক, তাঁর একটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেন। এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মফিজুল ইসলাম আহত হন। এদিকে একই সময়ে সেখানে ঘোড়া প্রতীকের আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলামের সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এতে ওয়ারেছ ও শফিকুলের সমর্থকদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে রফিকুল ইসলামের দুই সমর্থক আহত হন।

শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নৌকার সমর্থকেরা তাঁর তিন কর্মীর বাড়ি, একটি দোকানে হামলা ও নির্বাচনী কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা কোনো ভাঙচুর করেননি।

এদিকে ওয়ারেছ সুমন অভিযোগ অস্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার কোনো সমর্থক কারও বাড়িঘরে বা অফিসে হামলা করেনি। তারা নিজেরা এটা করে আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছে। বরং চশমার সমর্থকেরা হামলা চালিয়ে আমার একটি নির্বাচনী অফিস ও প্রচারের মাইক ভাঙচুর করেছে। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুজ্জামান খান প্রথম আলোকে জানান, ওই এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন