বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবু হাসানুজ্জামানের (৬১) বাড়ি চুয়াডাঙ্গা শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায়। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত স্বাস্থ্য দপ্তরের সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট রিপেয়ার অ্যান্ড ট্রেনিং ইঞ্জিনিয়ার এ এইচ এম আবদুস কুদ্দুস (৬১) ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স প্যারাগন এন্টারপ্রাইজের মালিক রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ডাকরা গ্রামের বাসিন্দা জাহেদুল ইসলাম (৩২)। কুদ্দুসের বাড়ি ঢাকার আশুলিয়ার নিশ্চিতপুর এলাকায়।

মামলার এজাহারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পিতভাবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে হাসপাতালে বাজারদরের চেয়ে অধিক দরে মেডিকেল যন্ত্রপাতি কিনে সরকারি ১ কোটি ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭০ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কুষ্টিয়ায় দুদকের আইনজীবী আল মুজাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন