default-image

যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) এক বন্দী কিশোর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সে পালিয়ে গেছে। সোমবার দুপুরে হাসপাতালের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সমাজসেবা অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পালিয়ে যাওয়া কিশোরের (১৬) বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে।

পুলিশ ও শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোর গত রোববার উন্নয়ন কেন্দ্রের অন্য বন্দীদের মারধরের শিকার হয়। এতে সে বুকের ব্যথা অনুভব করলে সোমবার দুপুরে তাকে কেন্দ্রের একটি গাড়িতে করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। চিকিৎসক সোলায়মান কবির তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে পাঠান। ওই ইউনিটের চিকিৎসক নজির আহমেদ চিকিৎসা দেওয়ার পর কেন্দ্রে নেওয়ার জন্য আবার তাকে মাইক্রোবাসে তোলা হয়।

বিজ্ঞাপন

তখন হঠাৎ মাইক্রোবাসের দরজা খুলে সে পালিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বরত আনসার সদস্য ও মাইক্রোবাসের চালক তার পিছু নেন। কিন্তু আর আটক করা যায়নি। পরে বিষয়টি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেনকে অবহিত করা হয়। জেলা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে যায়। কিন্তু পুলিশও তাকে আর খুঁজে পায়নি।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোর বোয়ালমারী থানার চুরির একটি মামলায় সম্প্রতি আদালতের মাধ্যমে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আসে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের এক বন্দী হাসপাতালে আনসার সদস্যের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0