বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও ফারজানার পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় আড়াই বছর আগে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে ফারজানা ইয়াছমিনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ফারজানার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। নিহত ফারজানা সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

ফারজানার মা রিজিয়া বেগম বলেন, গতকাল রোববার রাতে মেয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, মেয়ের লাশ রেখে তাঁর স্বামীসহ অন্যরা পালিয়ে গেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে গলা টিপে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের উপযুক্ত বিচার চান।

লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক শেখ মুহাম্মদ ফয়সাল প্রথম আলোকে বলেন, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফারজানা ইয়াছমিন নামের এক নারীকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। যাঁরা এই নারীকে হাসপাতালে এনেছিলেন, পরে তাঁদের হাসপাতালে আর দেখা যায়নি।

লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভক্ত চন্দ্র দত্ত বলেন, ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি শুনেছেন, ওই নারীকে তাঁর স্বামীসহ স্বজনেরাই হাসপাতালে এনেছিলেন। পরে স্বামী পালিয়ে গেছেন। তবে শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন