অনুসন্ধান কাজে সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেলে কোনো বিদেশি সাহায্য ছাড়াই খননকাজ শুরু করবেন তাঁরা। পাশের জেলা ভোলায় গ্যাস আছে। হিজলা-মুলাদীতেও গ্যাস থাকতে পারে বলে স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচনা আছে।

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি হিজলা উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামের কৃষক ইসরাফিল আকন ধানখেতে সেচ দেওয়ার জন্য একটি নলকূপ স্থাপনের কাজ করেন। খননের সময় ভূগর্ভ থেকে পানির পরিবর্তে গ্যাস বের হতে দেখেন মিস্ত্রিরা। পরে তাঁরা দেশলাই দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের বিষয়ে নিশ্চিত হন। তারপর উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন ওই কৃষক। ২১ জানুয়ারি ওই স্থানটি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) দুই কর্মকর্তা। এরপর হিজলা-মুলাদী দুই উপজেলায় খনিজ সম্পদ আহরণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ভূতাত্ত্বিক জরিপের সিদ্ধান্ত নেয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

রোববার এলাকাটি পরিদর্শনের সময় খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ পংকজ দেবনাথ, হিজলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন ঢালী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বকুল চন্দ্র কবিরাজ, বাপেক্সের পরিচালক মোহাম্মদ আলী, মহাব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মেহেরুল হাসান, পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন