default-image

গোলাম মাহফুজ চৌধুরী আক্কেলপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দলের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি ফের প্রার্থী হননি এবং পৌর নির্বাচনেও দলীয় মনোনয়ন চাননি। পরে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ পান।

default-image

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য সামছুল আলম জয়পুরহাট পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী হুইপের নির্বাচনী এলাকায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে তিনি হুইপের বিরুদ্ধে অশোভন ও অসত্য বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের এক জরুরি সভায় হুইপের বিরুদ্ধে অশোভন বক্তব্য দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গোলাম মাহফুজ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। একই ঘটনায় আজ বিকেলে কালাই উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশের পাশাপাশি তাঁকে কালাই উপজেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া আক্বেলপুর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মেহেদি হাসানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিলকপুর রেলস্টেশন এলাকায় গোলাম মাহফুজ চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

কালাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিনফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘হুইপ ও আমার মৃত বাবার বিরুদ্ধে গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অশোভন ও অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাঁকে কালাই উপজেলায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য জেলা কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন