বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলতাফুর রহমান আহমেদ বলেন, হুমায়ূন আহমেদ ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন। তিনি জীবনভর মানবমুক্তির গান গেয়ে গেছেন। শহীদ স্মৃতি বিদ্যালয়টিকে নিয়ে তাঁর অনেক বড় স্বপ্ন ছিল। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থীই ভালো ফলাফল করেছে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ একজন যথার্থ শিল্পী ছিলেন। তিনি মাটি, বাতাস, রোদ-বৃষ্টি ও প্রকৃতির ঘ্রাণ উপলব্ধি করতেন। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি শিল্প রচনা করেছেন। তাই তাঁর শিল্প আমাদের কাছে এতটা গ্রহণযোগ্য।’

এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় বাংলার নেত্র পত্রিকার কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে হুমায়ূন আহমেদ স্মৃতি সংসদ। কবি তানভির জাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় প্রাবন্ধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, কবি নাভেদ আফ্রিদী, কবি আনিসুর রহমান, সাংবাদিক জাহিদ হাসান, জেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম আবদুল্লাহ, জেলা মানবাধিকার নাট্য পরিষদের সভাপতি সালাউদ্দিন খান, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহসম্পাদক পল্লব চক্রবর্তী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

প্রাবন্ধিক হায়দার জাহান চৌধুরী হুমায়ূন আহমেদের বলেন, হুমায়ূন আহমেদ শুধু পাঠকই তৈরি করেননি। একজন মানুষ হিসেবে যে ব্যাপকতা, তা তিনি জীবনভর ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন। আইনশৃঙ্খলার নানান অসঙ্গতি তিনি তাঁর লেখা বা নাটকে বলেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কথা বলেছেন। একটি পাখির মুখ দিয়ে রাজাকারকে রাজাকার বলেছেন, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তিনি অমর ছিলেন, অমরই থাকবেন।

এদিকে হিমু পাঠক আড্ডার আয়োজনে আজ বিকেলে এক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন