বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনারি কেয়ার ইউনিটের নার্স লাইলা খাতুন বলেন, বেলা পৌনে একটার দিকে কয়েকজন রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য তিনি কার্যালয়ে ছিলেন। হঠাৎ করে বিকট শব্দ শুনতে পান। পরপরই রোগীদের চিৎকার শুরু হয়। দ্রুত ওয়ার্ডে গিয়ে দেখেন, ৩ নম্বর বেডে থাকা রোগীর পায়ের দিকে বেডের ওপর ছাদের পলেস্তারা ও সিলিং খসে পড়ে আছে। পলেস্তারা খসে পড়ে রোগীর পায়ে সামান্য লেগেছে। ওই রোগীর এক স্বজনের মাথার পাশ দিয়ে পলেস্তারা পড়েছে। এতে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, আরএমওসহ জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে কুষ্টিয়া গণপূর্ত কার্যালয়ের একজন প্রকৌশলী এসে সবকিছু দেখে যান।

এর আগেও ১০ মার্চ এই ইউনিটে একইভাবে পলেস্তারা খসে পড়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ইফফাত জাহান ও জ্যেষ্ঠ নার্স মৌসুমী আক্তার আহত হয়েছিলেন।
default-image

করোনারি কেয়ার ইউনিটের দায়িত্বরত চিকিৎসক কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাসীমুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, ওয়ার্ডে রোগী রেখে সেবা দেওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এ জন্য বিকেলের মধ্যেই পাঁচজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ছয়জনকে প্রগ্রেসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটে (পিসিসিইউ), দুজনকে কেবিনে এবং তিনজনকে মেডিসিন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এর আগেও ১০ মার্চ এই ইউনিটে একইভাবে পলেস্তারা খসে পড়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ইফফাত জাহান ও জ্যেষ্ঠ নার্স মৌসুমী আক্তার আহত হয়েছিলেন।

কুষ্টিয়া গণপূর্ত কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বারবার এই ওয়ার্ডে একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রাথমিকভাবে খসে পড়া জায়গায় মেরামত করা হচ্ছে। দুই–তিন দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে। পুরো ওয়ার্ডে সার্ভে করে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা থেকে একটি প্রতিনিধিদল ডাকা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন