default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেসবুকে হেফাজতে ইসলামের পক্ষে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে বহিষ্কার হয়েছেন আরেক নেতা। গতকাল শুক্রবার রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃত দুজন হলেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল রানা এবং সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. জুম্মান সরকার।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই উপজেলায় মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। উপজেলা ও জেলা ছাত্রলীগ একাধিকবার তাঁকে এসব বিষয়ে সতর্ক করেছে। কিন্তু সোহেল রানা নিজেকে সংশোধন করেননি। অপর দিকে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. জুম্মান সরকার সম্প্রতি হেফাজতের পক্ষে ফেসবুকে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা ছাত্রলীগের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কাজে লিপ্ত থাকায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা এবং সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক জুম্মান সরকারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একাধিবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় সোহেল রানা ও জুম্মান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল আহম্মেদ বলেন, সোহলে রানার বিরুদ্ধে মাদক সেবনসহ আরও কিছু অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে। আর সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটান। সদর উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা জুম্মান সরকার সরকার সম্প্রতি হেফাজতের পক্ষে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে। তাঁরা দুজনই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কাজ করেছেন। তাই তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন