বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন পুনরায় চালু হওয়া উপলক্ষে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে সেখানে জড়ো হন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাংসদ উবায়দুল মোকতাদির।

থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের জেরে ঢাকার বায়তুল মোকাররম ও চট্টগ্রামের হাটহাজারি মাদ্রাসায় সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে গত ২৬ মার্চ বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের নেতা-কর্মীরা রেলস্টেশনে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এরপর ২৭ মার্চ থেকে রেলস্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে রেল বিভাগ।

সভায় সাংসদ মোকতাদির চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদেশ থেকে যন্ত্র এনে, দেশে যন্ত্রপাতি তৈরি করে এ স্টেশনের ক্ষতিগ্রস্ত সিগন্যাল–ব্যবস্থা মেরামত করা হয়েছে। এরপর স্টেশনটি ব্যবহারের উপযোগী হয়েছে। রেলমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যেন এমন ধ্বংসযজ্ঞ না হয়, তা যেন খেয়াল রাখা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেন, প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম প্রমুখ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন মাস্টার মো. সোয়েব আহমেদ বলেন, রেলস্টেশনে অপারেশন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু হয়েছে। স্টেশনে প্রতি মাসে গড়ে এক থেকে দেড় কোটি টাকার এবং প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার বিভিন্ন ট্রেনের টিকিট বিক্রি হতো। দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ থাকায় সরকার কমপক্ষে সাড়ে সাত কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন