default-image

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমানকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানা থেকে তাঁকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।

ওলিয়ার রহমান আলফাডাঙ্গার গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন। ২১ এপ্রিল বিকেলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ওলিয়ারকে আলফাডাঙ্গা থানায় নিয়ে আসা হয়। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিবির একটি দল ওলিয়ারকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। যতটুকু জানি, মামলার তদন্তের স্বার্থে তাঁকে ঢাকায় নিয়ে গেছে।’

বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকার একটি রিসোর্টে ৩ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে এক নারীসহ ঘেরাও করেন এলাকাবাসী। ওই নারীর নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা। তখন হেফাজত নেতা মামুনুল হক তাঁকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন। পরে জানা যায়, জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ার রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক সেনাসদস্য। তিনি গোপালপুর ইউনয়নের কামারগ্রামের বাসিন্দা। তিনি গোপালপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁর তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ের মধ্যে জান্নাত আরা মেজ।

এ ঘটনায় ১২ এপ্রিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ থেকে ওলিয়ারকে কেন বহিষ্কার করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। এ নোটিশে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। ১৯ এপ্রিল ওই সাত দিন পার হয়। এই প্রেক্ষাপটে ২১ এপ্রিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নির্বাহী সভায় ওলিয়ারকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার বাবা ওলিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামুমুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলার উপাত্ত সংগ্রহের জন্য তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন