তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কবির প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা এভাবে হেলিকপ্টার থেকে ত্রাণ বিতরণের বিষয়ে অবহিত ছিলাম না। পরে জানতে পেরেছি, এটি বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ছিল। আমরা জানলে হয়তো তাদের সহযোগিতা করতে পারতাম। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি।’

তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করে আন্তবাহিনী গণসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে ও দুপুরে একটি হেলিকপ্টারে দুইবার ত্রাণ নিয়ে আসে তাহিরপুরে। বেলা ১১টায় প্রথমবার এবং ২টায় দ্বিতীয়বার হেলিকপ্টার থেকে উপজেলা সদরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে কিছু ত্রাণের বস্তা ফেলা হয়। হেলিকপ্টার দেখেই সেখানে বন্যার্ত লোকজন জড়ো হয়। ২০০ থেকে ৩০০ ফুট ওপর থেকে মাঠের মাঝখানে থাকা একটি বালুর স্তূপে কিছু ত্রাণের বস্তা ফেলা হয়। চাল, ডাল, তেলসহ খাদ্যসামগ্রীতে ভরা এসব বস্তার ওজন পাঁচ থেকে ছয় কেজি। এসব বস্তা পড়ে বিপ্লবসহ আহত হন অন্তত নয়জন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিপ্লব মিয়ার ঘাড়ে বস্তা পড়ায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে বিপ্লবসহ কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মঙ্গলবার সকালে একটি স্পিডবোটে করে সিলেটে পাঠানো হয়। সেখানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন