বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিজানুর কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার জোয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল আউয়ালের ছেলে। ভোট সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জোয়াগ ইউনিয়নের পাঁচপুকুরিয়া গ্রামে এক উঠান বৈঠকে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মাইর খেয়ে আসা যাবে না, মাইর দিয়ে আসতে হবে। তার জন্য যদি ১০টা মার্ডারও করা লাগে, তাই করবেন। আমি বাকিটা দেখব ইনশা আল্লাহ...আমি ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছি, যদি আমার লোকদের এক ফোঁটা রক্ত ঝরে, আপনি ১০ ফোঁটা রক্ত নিয়ে আসবেন। বাকিটা আমি দেখব ইনশা আল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, ‘ছাড় দেওয়া যাবে না, একচুল পরিমাণও ছাড় দেব না। মিজান কী জিনিস, এখনো জোয়াগের অনেক মানুষ জানে না। জানা উচিত, যখন নমিনেশন নিয়ে আসছি, তখন থেকেই জানা উচিত।’

অভিযুক্ত মিজানুর কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার জোয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল আউয়ালের ছেলে।

মিজানুরের এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা হতে থাকে। এ নিয়ে প্রথম আলোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে ইউএনও আহসান হাবীব ডেকে এনে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না মর্মে মুচলেকা নেন।

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, নির্বাচন নিয়ে হুমকি দেওয়ায় মিজানুর রহমান খানের বিরুদ্ধে চান্দিনা থানায় পুলিশ জিডি করেছে।

কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, কাউকে হুমকি দেওয়া নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন। চান্দিনায় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ঝামেলামুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশাসন নির্বাচন কোনো ধরনের হাঙ্গামা ছাড়া সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর।

পঞ্চম ধাপে ৫ জানুয়ারি জোয়াগ ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন