বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার মারা যাওয়া ব্যক্তি হলেন মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮)। তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক ছিলেন। তাঁর মারা যাওয়া বড় ভাইয়ের নাম মো. নাসির উল্লাহ (৫৮)। তিনি মাগুরা বক্ষব্যাধি হাসপাতালের অফিস সহায়ক ছিলেন। তাঁরা জেলা শহরের দরি মাগুরা এলাকার প্রয়াত আবদুল করিমের ছেলে।

এটা আমাদের পরিবারের জন্য বড় ধাক্কা। ছোট ভাইয়ের দুই সন্তান একেবারেই ছোট। বড় ভাইয়ের সন্তানেরাও উপার্জন শুরু করেনি। ওদের সবাইকে মানুষের মতো মানুষ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
মো. রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ও নাসিরের আরেক ভাই

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন নাসির উল্লাহ। নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা শনাক্ত হয়। তিনি প্রথমে বাড়িতে চিকিৎসা নেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মাগুরা জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ আগস্ট মারা যান তিনি।

পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, শফিকুল ও নাসিরের বাসা পাশাপাশি। নাসিরের মৃত্যুর অগেই শফিকুলের করোনা ধরা পড়ে। প্রথমে তাঁকে জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গত মঙ্গলবার তাঁকে ঢাকায় সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শনিবার রাত ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

শফিকুল ও নাসিরের আরেক ভাই মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটা আমাদের পরিবারের জন্য বড় ধাক্কা। ছোট ভাইয়ের দুই সন্তান একেবারেই ছোট। বড় ভাইয়ের সন্তানেরাও উপার্জন শুরু করেনি। ওদের সবাইকে মানুষের মতো মানুষ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন