বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সূত্রটি আরও জানায়, ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে চাঁদপুর সদরের ৯৯, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭০, হাজীগঞ্জের ৫৪, কচুয়ার ৭৫, মতলব উত্তরের ৫১, মতলব দক্ষিণের ৫৩ ও শাহরাস্তির ৪৫ জন আছে। কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলা থেকে এসেছে ৬৮৬ জন। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর সদর থেকে ১০২, রায়পুরের ৫৫, রামগঞ্জের ৪২ এবং নোয়াখালীর চাটখিল থেকে ২৩ জন রোগী এসেছে। বাকিরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও শরীয়তপুরের বাসিন্দা।

গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানকার প্রতিটি ওয়ার্ড ডায়রিয়া রোগীতে ঠাসা। বারান্দায়ও চলছে ডায়রিয়া রোগীদের চিকিৎসা। রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নওগাঁও গ্রামের স্বপ্না আক্তার বলেন, তাঁর ছয় মাসের মেয়ে হুমায়রা আক্তারকে গত সোমবার এখানে ভর্তি করিয়েছেন। চিকিৎসকেরা খাবার স্যালাইন ও বেবি জিংক ট্যাবলেট খেতে দিয়েছেন। তার অবস্থা উন্নতির দিকে।

আইসিডিডিআরবির মতলব হাসপাতালের প্রধান আল ফজল খান বলেন, তাঁর হাসপাতালে পর্যাপ্ত স্যালাইন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে। সেখানে শয্যা ৭০টি। বারান্দা, করিডর ও বাইরে তাঁবু টাঙিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ রোগীর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।

আল ফজল খান আরও বলেন, শীতের সময় সাধারণত শিশুরা রোটা ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত শিশুদের পাতলা পায়খানা ছাড়াও বমি-জ্বর হতে পারে। শূন্য থেকে ৬ মাস বয়সী শিশুদের খাবার স্যালাইনের ও মায়ের বুকের দুধ খেতে দেওয়া হচ্ছে। ৬ মাসের বেশি বয়সীদের বেবি জিংক ট্যাবলেট দিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন