default-image

ঘন কুয়াশায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল ফেরি চলাচল। দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে আটকা পড়ে আট শতাধিক যানবাহন। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকেরা।

ঘাটে আটকে পড়া পণ্যবাহী ট্রাকের চালক সাজেদুল ইসলাম বলেন, রাত ১০টার পর থেকে লাইনে আছেন। ঘাটে কুয়াশার কারণে দূর থেকে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। বেলা ১১টার পর ঘাটে কুয়াশা পরিষ্কার হলেও পদ্মায় কুয়াশা দেখা গেছে।

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ১১টার পর থেকে পদ্মা নদীর চারপাশে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত ১২টার দিকে কুয়াশার পরিমাণ বেড়ে গেলে নৌপথের দিকনির্দেশনামূলক বাতি অস্পষ্ট হয়ে আসে। এ সময় পদ্মা নদীতে দিক নির্ণয়ে ব্যর্থ হয় ফেরিগুলো। দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ১২টার পর থেকে উভয় ঘাট থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এ সময় চলাচলরত পাঁচটি ফেরি পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ও যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে। ঘন কুয়াশা থাকায় ফেরিগুলো মাঝ পদ্মায় নোঙর করে রাখা হয়। সোমবার বেলা ১১টার পরে কুয়াশার মাত্রা কমে এলে বাংলাবাজর ঘাট থেকে তিনটি ফেরি শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছাড়া হয়। দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় ঘাটে আটকা পড়ে ৮০০–এর বেশি যানবাহন।

বিজ্ঞাপন

ঢাকাগামী যাত্রী আজিজুল হক বলেন, ‘সকালে ঢাকায় যাওয়ার জন্য ঘাটে আসি। দেখি লঞ্চ–ফেরি কিছুই চলছে না। পরে দুই ঘণ্টা বসে থাকার পর ১০টার দিকে লঞ্চ ছেড়েছে।’

দুপুর ১২টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) বাংলাবাজার ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক জামিল আহমেদ বলেন, ঘন কুয়াশার জন্য রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বাংলাবাজার ঘাটে রাত থেকে লোড নেওয়া তিনটি ফেরি বেলা ১১টার পরে ছাড়া হয়। মাঝপদ্মায় এখনো কুয়াশা। তাই ফেরিগুলো ওপারে পৌঁছাতে বাধার মুখে পড়ছে। তবে শিমুলিয়া থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাবাজার ঘাটে ফেরি আসেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন