পাখিশিকারিদের কাছ থেকে ১২টি বক উদ্ধার করে উড়িয়ে দেওয়া হয় আকাশে। শুক্রবার সকা‌লে নালিতাবাড়ী উপজেলার ছালুয়াতলা গ্রামে
প্রথম আলো

শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ীতে পাখি শিকার করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত চার ব্যক্তিকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এ সময় পাখিশিকারির কাছ থেকে ১২টি বক উদ্ধার করে আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামে এবং নালিতাবাড়ী উপজেলার ছালুয়াতলা গ্রামের দুটি পৃথক স্থানে এই অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. মিজানুর রহমান এবং নালিতাবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা বিশ্বাস।

শেরপুর বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর সদরের পাকুরিয়া ও নালিতাবাড়ীর ছালুয়াতলায় চারজন পাখিশিকারি বিভিন্ন ধরনের পাখি ও বক শিকার করে আসছিলেন। খবর পেয়ে পাকুরিয়া ও ছালুয়াতলা গ্রামে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই পাখিশিকারিদের আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছে শিকার করা ১২টি বকও উদ্ধার করা হয়।

‌শেরপু‌রের দু‌টি গ্রামে অভিযান চালিয়ে পাখিশিকারিদের কাছ থেকে ১২টি বক উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার সকা‌লে নালিতাবাড়ী উপজেলার ছালুয়াতলা গ্রামে
প্রথম আলো

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর ৩৮(১) ধারা লঙ্ঘন করায় পাকুরিয়া গ্রামের মোহাম্মদ রোমান মিয়া ও মো. আনার আলী এবং ছালুয়াতলা গ্রামের মো. ইদ্রিস আলী ও জুয়েল মিয়াকে ২ হাজার টাকা করে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা পাখিগুলোকে খোলা আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে পাখি ধরার ফাঁদসহ সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর জেলার ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, আটক চার ব্যক্তি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পেয়েছেন। তবে পাখিশিকারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।