বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগ অনুযায়ী, বছরের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে ইটের দাম বেড়ে যায়। অন্যান্য সময়ে কম দামে ইট পাওয়া যায়। প্রতি হাজার ইটে তিন-চার হাজার টাকা কম পড়ে। কম দামে ইট পেতে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ওই ব্যক্তিরা কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে অবস্থিত এম এন এইচ ব্রিকস ফিল্ডের মালিক এবং ব্যবস্থাপক মানিক বর্ধনকে বিভিন্ন ধাপে টাকা দেন। টাকা লেনদেনের রসিদ তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নানা অজুহাত দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ে তাঁদের ইট দেওয়া হয়নি। পরে টাকাও ফেরত দেননি মানিক বর্ধন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চুনু মিয়া ৪১ লাখ, মুহিবুর রহমান ৩ লাখ ৫০ হাজার, আবদুস সালাম ৭ লাখ, ইউসুফ আলী ৩০ লাখ, আবুল কাশেম ১ লাখ ৫০ হাজার, সমোজ মিয়া ১ লাখ ৯২ হাজার, তজম্মল আলী ১ লাখ ২৬ হাজার, আজাদ আলী ১ লাখ ৬০ হাজার, মাসুদ আহমদ ৩ লাখ ৫০ হাজার, রুবেল আহমদ ৯ লাখ, গিয়াস আহমদ ৪ লাখ ৫০ হাজার, ওসমান আলী ৩ লাখ, মুশিউর রহমান ২ লাখ, হাজির মিয়া ৩ লাখ, আবদুল মজিদ ৩ লাখ, নাজমা বেগম ১ লাখ, খুশবা বেগম ৩ লাখ, মিছবা বেগম ৩ লাখ ৭০ হাজার, লোকমান মিয়া ৬ লাখ ৬০ হাজার, মতিন মিয়া ৫ লাখ এবং পায়েল মিয়া ১ লাখ টাকা পাবেন ইটভাটা কর্তৃপক্ষের কাছে। তাঁরা কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে ইটভাটাটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উল্লিখিত ব্যক্তিরাসহ উপজেলার মোট ১৩৫ জনের কাছ থেকে প্রায় আট কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ইটভাটা কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে ১২ সেপ্টেম্বর তাঁরা মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার ইটভাটার মালিক ও ব্যবস্থাপক মানিক বর্ধনের মুঠোফোনে কল করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইটভাটাটির প্রকৃত মালিক নজিবুর রহমান। তাঁর কাছ থেকে ইজারা নিয়ে ভাটা পরিচালনা করছেন মানিক বর্ধন।

নজিবুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ২০১৬ সাল থেকে ইটভাটার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ওই সময় থেকে ইজারা নিয়ে ইটভাটা পরিচালনা করছেন ব্যবস্থাপক মানিক বর্ধন। তাই কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদেক কাওছার দস্তগীর বলেন, তাঁরা অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন