বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ও শিমুলিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, তীব্র স্রোতের কারণে ১৮ আগস্ট থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। নদীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ৪ অক্টোবর থেকে পাঁচটি ছোট ফেরির মাধ্যমে আবার পারাপার শুরু হয়। ১১ অক্টোবর নদীতে আবার স্রোত বেড়ে যায়। এ কারণে পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা ও নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে বন্ধ করে দেওয়া হয় ফেরি চলাচল। ১৪ অক্টোবর দুপুরে পরীক্ষামূলকভাবে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি কুঞ্জলতা শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ঘাটে যায়। পরে বিআইডব্লিউটিএ, পদ্মা সেতু ও সেনা কর্মকর্তারা নদীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখেন। সর্বশেষ ২৬ অক্টোবর ফেরি কুঞ্জলতা দিয়ে পরীক্ষামূলক দুটি ট্রিপ দেওয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহম্মেদ প্রথম আলোকে বলেন, পদ্মা নদীর অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। ফেরি চালানোর উপযোগী। ফেরিটিতে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেরিটি শিমুলিয়া ঘাট থেকে বাংলাবাজার ঘাটে সফলভাবে পৌঁছেছে। সেখান থেকে ৯টি ছোট গাড়ি ও ১০টি মোটরসাইকেল নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটের দিকে আসছে। তবে ফেরি চলাচল করবে কি না, এখনো সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আজ থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেরি চালানোর একটি সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন