default-image

টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মাত্র ১৩ ভোটে হেরেও মনোবল হারাননি আলমাস আজাদ। আজ রোববার সকালে বিজয়ী কাউন্সিলর বাদল বাদুর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন ও অভিনন্দন জানান আলমাস আজাদ।

গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে উপজেলা যুবলীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলমাস আজাদ ১৩ ভোটে হেরে গেছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪৫৭টি। বাদল বাদু ‘পানির বোতল’ প্রতীক নিয়ে ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ৯টি ওয়ার্ডে সবচেয়ে কম ভোটের ব্যবধানে তিনি নির্বাচিত হন। এই ওয়ার্ডে মোট চারজন প্রার্থী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচনের পর আলমাস আজাদ তাঁর ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘আমি তো হারি নাই, হেরে গেছে এই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ, যারা আমাকে বুঝতে পারল না। তারপরও ধন্যবাদ সকলকে। দোয়া করবেন আমার জন্য।’ এই স্ট্যাটাসের কয়েক ঘণ্টা পর আলমাস বিজয়ী কাউন্সিলর বাদল বাদুর বাড়িতে যান। বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে দুজনে কাঁধে হাত রেখে ছবি তোলেন। সেই ছবি আবার ফেসবুকে পোস্ট করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বাদল বাদু বলেন, ‘আমার উচিত ছিল আলমাসের বাড়িতে যাওয়া। তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়া। আমার যাওয়ার আগেই আলমাস আমার বাড়িতে আসায় আমি কৃতজ্ঞ। আমরা দুজনে মিলেমিশেই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়ন করতে চাই। সে কথা দিয়েছে কোনো হিংসা নয়, ভেদাভেদ ভুলে আমাকে সহযোগিতা করবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকাস্থ সখীপুর উপজেলা স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন উদয় ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘এটা খুবই ভালো উদাহরণ। আলমাস ভাই দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতি করছেন। এটা আলমাস ভাইদের পক্ষেই সম্ভব। এটা তাঁর রাজনৈতিক শিক্ষা।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন