default-image

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিচারের রায় হবে  আগামীকাল মঙ্গলবার। আসামিদের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি–তর্ক উপস্থাপন শেষে ১৪ অক্টোবর বরগুনা শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এই মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনা জেলা দায়রা ও জজ মো. আছাদুজ্জামান। ১০ আসামির মধ্যে নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ছিলেন এ মামলার প্রধান সাক্ষী। এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড ওই বছরের ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। ১ সেপ্টেম্বর মামলায় ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ১৩ জানুয়ারি অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ১৪ অক্টোবর রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে ৭৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার পর পক্ষে-বিপক্ষে আদালতে যুক্তি–তর্ক উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। এরপর উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি-তর্ক শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বরগুনার শিশু আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা আদালতে যেসব তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি, তার ভিত্তিতে আমরা এই হত্যাকাণ্ডে আসামিরা জড়িত বলে প্রমাণ করতে পেরেছি। আমরা আশা করি সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।’

এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমরা আদালতে যেসব তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি, তাতে আশা করি আমার মক্কেলরা নির্দোষ প্রমাণিত হবে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0