বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বন্দরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনাকালের দেড় বছরে বন্দরে বেচাকেনা হয়নি। কিন্তু বিপরীতে ব্যাংকের সুদ বেড়েছে। বেকার হয়েছেন দুই শ ব্যবসায়ী, কাজ হারিয়েছেন প্রায় তিন হাজার শ্রমিক।

সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় আশির দশকে শুঁটকির বন্দরটি গড়ে ওঠে। ওই বন্দরে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়ার ব্যবসায়ীরা এসে বড় আড়ত গড়ে তোলেন।

শুঁটকি বন্দরের লাকী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রবিউল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতির আগে এই বন্দরে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার ব্যবসা হতো। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এখান থেকে শুঁটকি সংগ্রহ করে নিয়ে যেতেন।

বন্দরটিতে এত শুঁটকি নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ উন্নতমানের হিমাগার না থাকা। সৈয়দপুর শুঁটকি মাছ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি বাছেদ আলী বলেন, তাঁরা সনাতন পদ্ধতিতে শুঁটকি সংরক্ষণ করেন। এগুলোর সবই পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা প্রায় অসম্ভব। তাই বন্দরটি যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানের বাজার চালু হয়েছে। শুঁটকি বন্দরের আড়তদার সমিতির সভাপতি রুহুল আলম বলেছেন, বাজার চালু হলেও ব্যবসা হচ্ছে সীমিত পরিসরে। মূলধন হারিয়ে অনেক ব্যবসায়ী আমদানি করতে পারছেন না। অল্প কিছু শুঁটকি এনে বেচাকেনা চলছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে ব্যাংকগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।

এ প্রসঙ্গে নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মারুফ জামান বলেন, শুঁটকি এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে। সৈয়দপুর শুঁটকি বন্দরটি বন্ধ হয়ে গেলে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী বড় ক্ষতির মুখে পড়বে। তাঁদের পক্ষে ব্যাংক থেকে নতুন করে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন