বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন বলেন, আঠারোবেকির একটি বাঁকের প্রভাবে রামনগর নদের পাড়ের সড়কে বড় ভাঙন ধরেছিল। ব্লক ফেলায় ভাঙন অনেকটা রোধ হয়েছে। তবে রাস্তাটির সরাসরি সংযোগ ঠিক করতে না পারায় অনেক অসুবিধা হচ্ছে। গত বছর ওইখানে ছোট একটা সেতু নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেখানকার কিছু লোক জোর করে ব্লকের রাস্তার ওপর ঘর উঠিয়ে রেখেছেন। ইউএনও, এসি ল্যান্ড সবাইকে নিয়ে তাঁদের তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে নদ ভেঙে রাস্তা ব্যক্তিগত জমির ওপর চলে আসায়; অর্থাৎ ওটা খাসজায়গা না হওয়ায়, সরাতে যাওয়া হয়নি। ফলে প্রকল্পের টাকা ফেরত গেছে।

স্থানীয় মো. নবীন মোল্লা (৬০) প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাস্তা বিচ্ছিন্ন থাকার সুযোগে প্রায় প্রতিদিন এখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। আমাদের পাশে পুলিশ ফাঁড়ি, কিন্তু এই চলাচলের রাস্তার অভাবে আমরা সেবাটা ঠিকমতো পাই না।’

রাস্তার বিচ্ছিন্ন অংশের পূর্ব পাড়ের বাসিন্দা মুজিবুর রহমান শেখ বলেন, বর্ষা মৌসুমে নদে যখন জোয়ার আসে, তখন এলাকার মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। এলাকার কেউ অসুস্থ হলে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করতে করতেই অবস্থা আরও খারাপের দিকে চলে যায়। একটি ভ্যান, অ্যাম্বুলেন্স আসার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই।

পশ্চিম পাড়ের বাসিন্দা বিউটি খাতুন ও মো. অভিষেক বলেন, ‘খালের ওপারে স্কুল আছে, মাদ্রাসা, বাজার আছে। তবে সরাসরি যাওয়ার উপায় না থাকায় অনেক ঘুরে আমাদের সেখানে যেতে হয়। রাস্তাটা ঠিক হলে ভোগান্তি হতো না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন